ঘটনায় পরপরই ডেপুটি সিভিল সার্জন শামীম হোসাইন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানায় কমিটি। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

জানা যায়, রোববার (১ আগস্ট) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২ নাম্বার বুথে টিকা দিচ্ছিলেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন। তিনি টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রবেশ না করিয়ে শুধু সুচ পুশ করে সিরিঞ্জ ফেলে দিচ্ছিলেন। বিষয়টি টিকা গ্রহণকারী এক যুবকের নজরে আসে। ঘটনাটি আবাসিক চিকিৎসক ডা. শামীমকে জানানো হলে তিনি পরিত্যক্ত সিরিঞ্জগুলো বাছাই করে ২০টি সিরিঞ্জের ভেতর সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনের উপস্থিতি দেখতে পান। তিনি নিশ্চিত হন সুচ পুশ করা হলেও শরীরে ভ্যাকসিন প্রবেশ করানো হয়নি।

ঘটনা জানাজানি হলে ওই দিনই ডেপুটি সিভিল সার্জন শামীম হোসাইন চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সোমবার তারা প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।

তদন্তে তারা জানান, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন নিজেও দোষ স্বীকার করে লিখিত দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি বলেছেন, অনেক লোকের চাপ ছিল। অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটনাটি ঘটেছে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আমরা হাতে পেয়েছি। অভিযুক্ত স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।