মুহাম্মদ বিপ্লব : দুইদিন ব্যাপী ত্রাণবিতরণ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে, ঢাকা উত্তরসিটির ৩৮ নং ওয়ার্ডে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনা মহামারি ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলার শেখ সেলিম। এ সময় ঢাকা ১১ আসনের এমপি এ কে এম রহমতুল্লাহর উপস্থিত ছিলেন।

দুইদিন ব্যাাপী ত্রাণ বিতরণের প্রথমদিনে আজ ৫০০ প্যাকেট ত্রাণ বিতরণ করা হয়। প্রতি প্যাকেটে চাল, ডাল, চিনি, পেয়াজ, লাচ্ছা সেমাই সহ নিত্য প্রয়জনীয় খাদ্য সামগ্রী ছিলো প্রায় ১৫ কেজি।

ত্রাণ বিতরণকালে এমপি রহমতুল্লাহ বলেন, মুজিববর্ষে কোনো দারিদ্রতা এবং ক্ষুধার্ত কোনো ব্যক্তি থাকবে না। দরিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই আজ আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অসহায় ও মেহনতি মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা আশা করি, এই করোনা কালীন পরিস্থিতিতে যার যা সামর্থ আছে তা দিয়েই মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।

তিনি আরো বলেন, আমার নেত্রী অসহায় ও মেহনতি মানুষের মুখে খাবার তুলে দেন। অথচ বিএনপি নেত্রী খালেদা ও তার ছেলে তারেক ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় অসহায় মানুষের খাবার কেড়ে নিয়েছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি কাউন্সিলার শেখ সেলিম বলেন, মাননীয় প্রধানন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা উত্তরসিটির ৩৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে সকলের সহযোগিতায় দুইদিন ব্যাপি ত্রাণবিতরণের কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা আজ প্রথমদিনে ৫০০ প্যাকেট এবং দ্বিতীয় দিনে ৩০০ প্যাকেট ত্রাণবিতরণ করবো। করোনা মহামারিতে সকল শ্রেণির মানুষ অর্থনৈতিক, সামাজিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষতিগ্রস্তমানুষগুলোকে সহযোগিতা করা সরকারের একার পক্ষে সহজ নয়। সামর্থবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সামর্থবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বশির আহমেদ, উত্তর আওয়ামী লীগের সদস্য আফরোজা খন্দকার ও ফারুক মিলন, বাটারা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান সহ ৩৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও ছাত্রলীগের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ।